আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ নেপালের ভোতেকোশি নদীতে আকস্মিক বন্যায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১ হাজার ৩৪৪ জনে দাঁড়িয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোতে উদ্ধার ও নিখোঁজদের সন্ধানে অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে নেপাল পুলিশ।
গত ২৬ আগস্ট নেপালে ভয়াবহ বন্যা দেখা দেয়। ধারণা করা হচ্ছে, হিমালয়ে হিমবাহ ধসে উপত্যকাজুড়ে কয়েকটি হ্রদের সৃষ্টি হয়। পরে সেসব হ্রদের পানি তিব্বত সীমান্তবর্তী কয়েকটি গ্রামের ওপর দিয়ে প্রবল বেগে ধেয়ে যায়। এতে ব্যাপক মানুষ বাস্তুচ্যুত হন এবং বহু ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ভয়াবহ এ বন্যায় নেপালের জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার বাসিন্দারা ঘরবাড়ি পুনর্গঠনের চেষ্টা করছেন। একই সঙ্গে পানিদূষণ এবং সংক্রামক রোগ ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কাও দেখা দিয়েছে।
দ্য কাঠমান্ডু পোস্টের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত বিদুরে পানীয় জলের ১৫টি উৎসের মধ্যে পাঁচটিতে ই-কোলাই ব্যাকটেরিয়ার উপস্থিতি পাওয়া গেছে। মানুষের বা প্রাণীর মলে এই ব্যাকটেরিয়া পাওয়া যায়। ভোটেকোশি নদীর বন্যায় নেপালের সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোর একটি বিদুর।
নিহতদের পরিচয় শনাক্ত করতে ব্যাপকভাবে ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করা হচ্ছে। বন্যা-পরবর্তী উদ্ধার অভিযান, ত্রাণ বিতরণ, মরদেহ ব্যবস্থাপনা এবং সড়ক যোগাযোগ পুনরুদ্ধারের কাজে ৭ হাজার ৯১২ জন পুলিশ সদস্য মোতায়েন রয়েছে।
সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি, দ্য হিন্দু
.
Copyright © 2025 All rights reserved Dhaka News