পোশাক শ্রমিকদের আন্দোলনে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সাবেক মন্ত্রী, এমপি ও এর সহযোগী সংগঠনের কিছু নেতাকর্মীর অনুপ্রবেশ ও নাশকতায় জড়িত থাকার প্রমাণ পেয়েছেন গোয়েন্দারা। প্রতিবেদনে আওয়ামীপন্থি ব্যবসায়ী মালিকানাধীন গাজীপুরের অন্তত ১০টি পোশাক কারখানার নাম এসেছে, যারা এই আন্দোলনে ইন্ধন দিচ্ছে। সত্যতা মিলেছে শ্রমিকদের বক্তব্যেরও।
নূন্যতম ৩০ হাজার টাকা মজুরিসহ আরও কয়েকটি দাবিতে আন্দোলনে নামেন পোশাক শ্রমিকরা। এরই মধ্যে পার হয়েছে এক সপ্তাহ। ধীরে ধীরে আন্দোলন সহিংস আকার ধারণ করছে।
পোশাক শ্রমিকদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে তাদের বেতন নির্ধারণে রোববার মজুরি বোর্ডও গঠন করে সরকার। ফলে এখন আর শ্রমিকদের মূল আন্দোলন বা দাবির যৌক্তিকতা থাকার কথা নয়। কিন্তু এর মধ্যেও যারা সহিংস আচরণ করছে, তাদের সঙ্গে সাধারণ শ্রমিকদের কোনো সম্পৃক্ততা আছে কিনা তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
গোয়েন্দা তথ্য বলছে, ঢাকার মিরপুর, গাজীপুর, সাভার, আশুলিয়া ও নারায়ণগঞ্জে পোশাকশিল্পের শ্রমিকদের ন্যায্য মজুরি ও অন্যান্য অধিকার আদায়ের আন্দোলনে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনের কিছু নেতাকর্মীর অনুপ্রবেশ ও নাশকতায় জড়িত থাকার প্রমাণ মিলেছে।
গোয়েন্দা প্রতিবেদনে আওয়ামীপন্থি ব্যবসায়ীদের মালিকানাধীন গাজীপুরেই অন্তত ১০টি পোশাক কারখানার নাম এসেছে, যারা এই আন্দোলনে ইন্ধন দিচ্ছে।
শ্রমিকদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, তারা কারখানায় কাজ করতে চাইলেও, তাদেরকে আন্দোলনে যোগ দিতে বাধ্য করা হচ্ছে।
আন্দোলনে যোগ দেয়া শ্রমিকদের অনেকেই জানেন না তাদের অংশগ্রহণের কারণ, এমন দাবি গাজীপুরের জেলা প্রশাসক মো. নূরুল করিম ভূঁইয়া।
এদিকে পোশাক শ্রমিকের ছদ্মবেশে নাশকতার অভিযোগে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের অন্তত ৪০ জনকে গ্রেফতারের তথ্য জানিয়েছে ঢাকা মহানগর পুলিশ।
.
Copyright © 2025 All rights reserved Dhaka News