ডেস্ক নিউজ : দেশের শিক্ষা ব্যবস্থায় সেশনজট কমানো এবং ভর্তি প্রক্রিয়ায় গতি আনতে বড় ধরনের পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. এহছানুল হক মিলন। তিনি জানিয়েছেন, ২০২৭ সালের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা নির্ধারিত সময়ের আগেই, সম্ভবত বছরের শেষভাগে আয়োজনের পরিকল্পনা করছে সরকার। একই সঙ্গে ওই বছরের এইচএসসি পরীক্ষাও আগাম নেওয়ার উদ্যোগ রয়েছে।
শনিবার (২৫ এপ্রিল) সচিবালয়ে এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীদের বদলি নীতিমালা নিয়ে এক বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান তিনি।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, পরীক্ষার ফল প্রকাশের পরপরই যাতে পরবর্তী স্তরের ভর্তি কার্যক্রম শুরু করা যায়, সেই লক্ষ্যেই পুরো শিক্ষা ক্যালেন্ডার নতুনভাবে সাজানো হচ্ছে।
তার ভাষ্য, পরীক্ষার সময়সূচি এগিয়ে আনা হলে শিক্ষার্থীদের দীর্ঘ বিরতি বা অপ্রয়োজনীয় অপেক্ষায় থাকতে হবে না। এতে কোচিংনির্ভরতা কমবে এবং শিক্ষা কার্যক্রম আরও ধারাবাহিক হবে। এ বিষয়ে ইতোমধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সঙ্গে আলোচনা শুরু হয়েছে বলেও জানান তিনি।
মন্ত্রী আরও বলেন, ভবিষ্যতে ‘ডিসেম্বর’ মাসকে পরীক্ষার প্রধান সময় হিসেবে বিবেচনায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে। এতে শিক্ষাজীবনের প্রতিটি ধাপে সময় ব্যবস্থাপনা আরও সুসংহত হবে বলে আশা করছে সরকার।
অন্যদিকে, এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের বদলি নিয়েও ইতিবাচক অগ্রগতির কথা জানান তিনি। বর্তমানে জাতীয় শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষে (এনটিআরসিএ) মাধ্যমে নিয়োগ পাওয়া শিক্ষকরা এক জেলা থেকে অন্য জেলায় কর্মরত থাকলেও, নতুন সফটওয়্যার চালুর মাধ্যমে তাদের নিজ জেলায় বদলির সুযোগ তৈরি করা হবে।
শুধু শিক্ষক নয়, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধানসহ সংশ্লিষ্ট কর্মচারীদেরও একটি সুসংগঠিত বদলি নীতিমালার আওতায় আনার কাজ চলছে বলে জানান শিক্ষামন্ত্রী। তিনি আশা প্রকাশ করেন, এই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে শিক্ষা খাতে শৃঙ্খলা ও স্থিতিশীলতা আরও জোরদার হবে।
.
Copyright © 2025 All rights reserved Dhaka News